10.10.24

অমিতাভ বচ্চন তাঁর জীবনীতে লিখেছেন...

আমি তখন ক্যারিয়ারের তুঙ্গে, আমি একবার বিমানে ভ্রমণ করছিলাম। আমার পাশে ছিলেন খুব  সাধারণ শার্ট এবং প্যান্ট পরিহিত এক ভদ্রলোক আমার পাশে বসে যাচ্ছিলেন দেখে ওনাকে একজন শিক্ষিত এবং মার্জিত মধ্যবিত্ত বলে মনে হয়েছিল। 



 অন্য সহ যাত্রীরা আমাকে চিনতে পেরে খুব উত্সাহিত হয়ে পড়েছিলেন এবং অটোগ্রাফ নিচ্ছিলেন। কিন্তু আমার পাশে বসা ভদ্রলোকে লক্ষ্য করলাম ওনার এই বিষয়ে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। 


ওনি খুব মনযোগ দিয়ে একটি খবরের কাগজ পড়ছিলেন আর মাঝে মাঝে জানালার বাইরে তাকিয়ে কিছু একটা ভাবছিলেন, একটুপর চা পরিবেশন করা হল লোকটির ঠোঁটে থ্যাংকস যেন লেগেই আছে। আমার ওনার প্রতি কৌতুহল বেড়েই চলছিল, তাই ওনার সাথে কথোপকথন করার জন্য আমি একটু হাসলাম। উনিও একটি সৌজন্যমূলক হাসি ফিরিয়ে দিয়ে বললো 'হ্যালো'। 


কিছু সৌজন্যমূলক কথোপকথন শুরু হয়ে গেল, আমি নিজে থেকে সিনেমা প্রসঙ্গ উত্থাপন করলাম। জিঙ্গাসা করলাম 'আপনি কি সিনেমা দেখেন?' 


 উত্তরে ওনি বললেন কখনো সখনো, শেষ সিনেমাটি দেখেছি তাও এক বছরের বেশি হয়ে গেছে।

আমি উল্লেখ করলাম আমি ওই চলচ্চিত্র শিল্পে কাজ করি।

ওনি উত্তরে বললেন.. "ওহ, চমৎকার। তুমি কি কর?'

 আমি উত্তরে বললাম, 'আমি একজন অভিনেতা'

 লোকটি মাথা নেড়ে বলল, 'ওহ, চমৎকার!' ব্যস এইটুকু।


প্লেন ল্যান্ড করার পর আমি ভদ্রলোকের দিকে করমর্দনের জন্য হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললাম হাই আমার নাম অমিতাভ বচ্চন। ওনি মাথা নত করে আমার হাতটা ঝাঁকিয়ে দিয়ে বললেন আপনার সাথে পরিচয় হয়ে দারুন লাগলো আপনি একজন মজার মানুষ, আমার নাম জে.আর.ডি. টাটা!"


ওই দিন থেকে একটা জিনিষ জানলাম যত বড়ই হয়না কেন। আমার চেয়ে বড় কেউ আছে। কিন্তু তার দৃষ্টিটা সর্বদাই মাটির দিকে।


শিক্ষনীয়... গাছ যতই বড় হয়, ততোটাই মাটির দিকে ঝুঁকে যায়।


স্যার রতন টাটা

সৌজন্যে- NIOS NEWS

এসব দেবদেবী হচ্ছে কাল্পনিক,বানোয়াট ও নিষ্ক্রিয় চরিত্র,এতে কোনো সন্দেহ নাই।

এসব দেবদেবী হচ্ছে কাল্পনিক,বানোয়াট ও নিষ্ক্রিয় চরিত্র,এতে কোনো সন্দেহ নাই। কিন্তু অস্ত্র হাতে এরা এভাবে দাঁড়িয়ে আছে কেন? কার হাত থেকে মূর্তি ভাঙ্গা রক্ষা করতে এরা দাঁড়িয়ে আছে? এরা কি বুঝাতে যাচ্ছে মুসলিম মুমিনরা হিন্দু বিদ্বেষী নয়?মুসলিম মুমিনরা যদি হিন্দু বিদ্বেষী না হয়,তবে এভাবে পাহারা দিতে হবে কেন?

তিনি রিসেট বাটন চেপে নিশ্চিত ভাবে অতীত মুছে দিয়েছেন।

একজন নোবেলজয়ী বাংলাদেশের মসনদে বসেই বললেন, তিনি রিসেট বাটন চেপে 'নিশ্চতভাবে' অতীত মুছে দিয়েছেন। শুনে যতোটা আতকে উঠেছি, তারচে বেশি অবাক হয়েছি। আতকে উঠেছি কারণ একমাত্র বিদেশি দখলদারই কোনো জাতিগোষ্ঠীর ইতিহাস মুছে দিতে চায় অনির্দিষ্টকাল ধরে শোষণ করার জন্যে। আর অবাক হয়েছি, ইতিহাস থেকেই জেনেছি, যে বা যারা ইতিহাস মুছে দিতে চায়, প্রকারান্তরে তারাই মুছে যায়, অথবা জঘন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে ধিকৃত হয়। [মরক্কো আন্তর্জাতিক কবিতা উৎসবে পঁচিশ দেশের পতাকার সাথে বাংলাদেশের পতাকা--৭১ সালে একটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে পাওয়া এই পতাকা আমাদের গর্ব!! লেখক সামছুল আরেফিন চৌধুরী

9.8.22

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বঙ্গমাতার স্মৃতিচারণ

 জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী ও রাজনৈতিক জীবনসঙ্গী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী আজ সোমবার। ১৯৩০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ইতিহাসে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কেবল একজন সাবেক রাষ্ট্রনায়কের সহধর্মিণীই নন, বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের অন্যতম এক নেপথ্য অনুপ্রেরণাদাত্রী। বাঙালি জাতির সুদীর্ঘ স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি বঙ্গবন্ধুকে সক্রিয় সহযোগিতা করেছেন। বঙ্গবন্ধুর দৃঢ় চেতনাকে আরো শাণিত করেছিলেন এই মহীয়সী নারী। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্টজনের কথা উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নাম অগ্রগণ্য।


বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের পারিবারিক নাম রেণু। বঙ্গবন্ধুর বাল্যকালে বাবা-মা হারানো চাচাতো বোন রেণুর (বয়স মাত্র ৩ বছর) সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক করেন পরিবারের সদস্যরা। মিশনারি স্কুল থেকে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব অল্প-বিস্তর প্রাথমিক প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা লাভ করেন। এরপর আর পড়ালেখার সুযোগ হয়নি। কিন্তু তিনি ছিলেন একজন জ্ঞানী, বুদ্ধিদীপ্ত, বিচক্ষণ, দায়িত্ববান ও ধৈর্যশীল নারী। বঙ্গবন্ধুর জীবনে তার প্রভাব ছিল অপরিসীম।


বঙ্গবন্ধু তার আত্মজীবনীতে লিখেছেন, ‘রেণু খুব কষ্ট করত, কিন্তু কিছুই বলত না। নিজে কষ্ট করে আমার জন্য টাকাপয়সা জোগাড় করে রাখত, যাতে আমার কষ্ট না হয়।’ আর এক জায়গায় লিখেছেন, ‘সে [রেণু] তো নীরবে সকল কষ্ট সহ্য করে, কিন্তু কিছু বলে না। কিছু বলে না বা বলতে চায় না, সেই জন্য আমার আরও বেশি ব্যথা লাগে।’


বঙ্গবন্ধু তার আত্মজীবনীতে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব প্রসঙ্গে লিখতে গিয়ে গোপালগঞ্জ জেলগেটে কথোপকথন সম্পর্কে বলেন, “রেণু আমাকে যখন একাকী পেল, বলল, “জেলে থাকো আপত্তি নাই, তবে স্বাস্থ্যের দিকে নজর রেখো। তোমাকে দেখে আমার মন খুব খারাপ হয়ে গেছে। তোমার বোঝা উচিত আমার দুনিয়ায় কেউ নাই। ছোটবেলায় বাবা-মা মারা গেছেন ... তোমার কিছু হলে বাঁচব কী করে?’ ...আমি বললাম, খোদা যা করেন তাই হবে, চিন্তা করে লাভ কী?”


বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বঙ্গমাতার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, “জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত (বঙ্গবন্ধুর) পাশে ছিলেন, যখন ঘাতকেরা আমার বাবাকে হত্যা করল, তিনি তো বাঁচার আকুতি করেননি। তিনি বলেছেন, ‘ওনাকে যখন মেরে ফেলেছ, আমাকেও মেরে ফেল।’ এভাবে নিজের জীবনটা উনি দিয়ে গেছেন।” এভাবেই বঙ্গবন্ধুর জীবনের সুখ-দুঃখের সাথি হয়েই শুধু নয়, মৃত্যুতেও সাথি হয়েছিলেন তার সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নিজ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শাহাদত বরণ করেন তিনি।

বঙ্গমাতার প্রতি 

বিনম্র শ্রদ্ধা

মাতব্বর সুজন খানে বাড়ি মাসুমদিয়া আমিনপুর পাবনা।

৯_৮_২২



18.2.22

খন্দকার আজিজুল হক আরজু পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী হিসাবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে।

মাতুব্বর সুজন:- আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারী শনিবার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
উক্ত সম্মলনে সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন সাবেক সাংসদ ও পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জনাব খন্দকার আজিজুল হক আরজু। এই পদে আরও প্রার্থী রেজাউল রহিম লাল ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পাবনা জেলা আওয়ামী লীগ ও চেয়ারম্যান পাবনা জেলা পরিষদ অন্য জন হলেন জনাব শামসুল হক টুকু এমপি। আগামি সম্মেলনকে ঘিরে রয়েছে শহরে সাজ সাজ রব।দিন যতই ঘনিয়ে আসছে পাবনা তৃণমূল নেতা কর্মিদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ আর উৎকন্ঠা। পাবনা সম্মেলন সম্পর্কে কথা হয় তৃণমূল নেতা কর্মিদের সাথে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নেতা কর্মিরা বলেন আগামি সম্মেলনে আমরা সভাপতি হিসাবে সাবেক সাংসদ খন্দকার আজিজুল হক আরজু কে সভাপতি হিসাবে দেখতে চাই। কারণ চানতে চাইলে তারা বলেন বিগত দিনে তিনি পাবনা ০২ নির্বাচনি এলাকার সাংসদ ছিলেন। তিনি এলাকার উন্নয়নে তৃণমূল নেতা কর্মিদের সাথে নিয়ে এলাকার উন্নয়ন করেছেন।তিনি একজন কর্মিবান্ধব নেতা। তিনি কর্মির বিপদে আপদে পাশে থাকেন এবং কর্মিদের দুর্দিনে সাথী। তাই তৃনমুলের জোড় দিয়ে বলেন যে আমরা সভাপতি হিসাবে আরজু কে চাই। এদিকে কথা হয় সাবেক সাংসদ ও সভাপতি পদপ্রার্থী জনাব খন্দকার আজিজুল হক আরজুর সাথে। তিনি বলেন আগামী সম্মেলনে তৃণমূল নেতা কর্মিরা যদি আমাকে সভাপতি নির্বাচিত করে তাহলে সভাপতি হিসাবে আমার প্রথম কাজ হবে পাবনা জেলা আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করা এবং দুর্দিনের ত্যাগি নেতা কর্মিদের মুল্যায়ন করা। সেই সাথে আগামি নির্বাচনে যাতে জনগণ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে রাষ্টীয় ক্ষমতায় আনতে পারে সেই লক্ষে কাজ করা। মাতুব্বর সুজন খানে বাড়ি মাসুমদিয়া আমিনপুর পাবনা।

28.11.21

সফল চেয়ারম্যান মিরোজ হোসেন কে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই


 মাতব্বর সুজন:- প্রতিটি মানুষের স্বপ্ন থাকে। কিন্তু স্বপ্নের পথে পা বাড়ালেই একের পর এক আসতে থাকে প্রতিবন্ধকতা। যে ব্যক্তি এসব প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে এগিয়ে যাবেন তিনিই হবেন সফল। আজ এমনই একজন সমাজ সেবক নিয়ে কথা বলব। যিনি অনেক বাধা ও প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে একজন সফল ব্যক্তি (চেয়ারম্যান) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। তিনি আর কেউ নন। তিনি হলেন পাবনা জেলার ইতিহাসে সফল ও জনপ্রিয় বেড়া উপজেলার ৮নং মাশুমদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মিরোজ হোসেন।

মিরোজ মাশুমদিয়ার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। তারপরও মানুষের প্রত্যাশা থাকে। তিনি তাঁর পরিশ্রম, সাহস, ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা আর প্রতিভার সমন্বয়ে সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য, স্থানীয় সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিক ও সুচারুভাবে বাস্তবায়নের জন্য, সর্বোপরি শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্ন রয়েছে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য এবং আগামী নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের জয়লাভের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

মিরোজ হোসেন এ কাজে সফলও হয়েছেন। সকলের সহযোগিতা পাচ্ছেন এবং সহযোগিতার আশাও ব্যক্ত করে চলেছেন। চেয়ারম্যান হিসেবে সফলতা পাওয়ায় তিনি আজ মাশুমদিয়া ইউনিয়নে সর্বত্র সম্মানিত হচ্ছেন। তারুণ্যের প্রতীক এ ব্যক্তি তাঁর বয়স ও অভিজ্ঞতা দুটিকেই হার মানিয়েছেন। তাঁর কর্মকান্ডে মনে হয় তিনি নবীন নয়। তিনি অনেক প্রবীণ। তার অভিজ্ঞতা রয়েছে অনেক।

এসকল সফল মানুষের পেছনে আছে কিছু গল্প, তা অনেকটা রূপকথার মতো। আর সে সব গল্প থেকে মানুষ খুঁজে নেয় স্বপ্ন দেখার সম্বল, এগিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন প্রেরণা।

কথা বলছিলাম পাবনার বেড়া উপজেলা মাশুমদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সফল চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরাম (বিইউপিএফ) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিরোজ হোসেন (৩৫) সম্পর্কে।

মাশুমদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই উল্লেখযোগ্য উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। এলাকার হতদরিদ্র মানুষের উন্নয়নে তাঁর নিরন্তর প্রয়াস সব মহলেই প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় বিশেষ অবদান, সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়নে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে এলাকায় নিজের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। তার সাথে দলের ভাবমূর্তির উন্নয়ন হয়েছে। পাবনার বেড়া উপজেলার আলোকিত মুখ হিসেবে পরিচিত এ মানুষটি নিজের সাফল্যের কারণে বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক নানা ভাবে প্রশংসিতও হয়েছেন এবং পেয়েছেন অসংখ্য জাতীয পুরস্কার। অসংখ্য মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ ও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠণের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক সমাজসেবী মিরোজ হোসেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি অত্যন্ত নম্র, ভদ্র, সদাহাস্যোজ্জ্বল ও সাদা মনের মানুষ। তাঁর মাঝে কোন অহংকার নেই। নিরহংকারী এই মানুষটি দলমত নির্বিশেষে আজ সকলের কাছে প্রিয়।

গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় অনেক প্রবীণ আ’লীগ নেতাকে পেছনে ফেলে তিনি পেয়েছেন দলীয় মনোনয়ন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মিরোজের কর্মকান্ডে তুষ্ট হয়েই তাকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। সেই আস্থার প্রতিদানও দিচ্ছেন তিনি। কাজ করে যাচ্ছেন, দলের জন্য এবং খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের জন্য। কাজ করছেন খন্দকার আজিজুল হক আরজু, এম.পি’র জন্য। কাজ করছেন নৌকার জন্য। সর্বোপরি কাজ করছেন সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য। বয়সে তরুন হলেও তিনি মনোবল হারাননি। এই সফল মানুষটি দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিটি মানুষের বিপদ আপদে ছুটে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এলাকায় তিনি একজন সাদা মনের, উদার মানসিকতার ও দানশীল মানুষ হিসেবে ইতিমধ্যে পরিচিতি লাভ করেছেন।

এলাকার সাধারণ মানুষের মতে, আমরা নেতা বা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বুঝিনা। মিরোজ একজন ভাল মানুষ। তিনি একজন কর্মঠ ব্যক্তি। তিনি চেয়ারম্যান পদে থাকলে আমাদের তথা এলাকার উপকার হবে। আমাদের দু:খ দুর্দশায় তাঁকে সহজেই পাশে পাওয়া যায়।

একান্ত আলাপচারিতায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিরোজ হোসেন বলেন, এলাকাটি অবহেলিত হওয়ায় দ্বায়িত্ব নেয়ার পর থেকে তাদের উন্নয়নে বেশী পরিশ্রম করতে হচ্ছে। আমি আমার নিজস্ব প্রচেষ্টায় তাদের ভাগ্য উন্নয়নে সবসময় পাশে থাকতে চাই। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে নিজেকে সপে দিব। সৃষ্টিকর্তা আমাকে এ তৌফিক দান করুন।

মাতব্বর সুজন

খানেবাড়ি মাসুমদিয়া

আমিনপুর পাবনা।