মাতুব্বর সুজন:-
যথাবিহিত সম্মানপুর্বক সবিনয় বিনীত আবেদন এই যে, নিঃসন্দেহে আপনি নিজেকে ভালবাসেন। আপনার প্রিয় সন্তান, স্ত্রী / স্বামী, বাবা-মা, ভাই-বোন, বন্ধুদের ভালবাসেন। আপনি চান না, তারা কেউ করোনা আক্রান্ত হোক, মৃত্যুর দিকে ধাবিত হোক।
আপনি সরকারের নিষেধাজ্ঞাকে ‘বীরের’ মত বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সিনেমার হিরোর মত নিজের গ্রামে এসে একজন গোঁয়ার, স্বার্থপর, রাজাকারের মত ঘুরে বেড়িয়ে নিজ পরিবার, নিজ পাড়া, গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলার জনগণকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছেন। আপনি কি মানুষ !!!!!
জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, গ্রামের মানুষ মাত্র ১৪ টি দিন আপনাকে একটু আলাদা থাকতে বলেছেন। জেল বন্দী হতে বলেন নি। দুরত্ব মেইনটেইন করে আলাদা থাকবেন, আপনার ব্যবহৃত জিনিষপত্র আলাদা রেখে নিয়মিত সাবান দিয়ে পরিস্কার করা, আপনি ঘর থেকে বের হলে মূখে মাস্ক, হাতে গ্লাভস পড়ে থাকবেন। যেন আপনি যদি ভাইরাস বহন করেন, তাহলে আপনার দ্বারা যেন কেউ সংক্রমিত না হয় । এটি সরকার তার স্বার্থে বলে নি। আপনার ও আপনার পরিবারের স্বার্থে বলেছে। আপনি দুধের বাচ্চা, আপনাকে বাবা মা আগুণ ধরতে নিষেধ করেছে, সেটিই আপনাকে ধরতে হবে।
এখোনো সময় আছে। মহান রাব্বুল আ’লামীনের প্রতি অগাধ বিশ্বাস রেখে দয়া করে আগামী কিছু দিনের জন্য একটু সাবধান হোন। কেউ কারো ৪/৫ ফুটের মধ্যে আসবেন না। একজনের ব্যবহৃত জিনিস অন্য জন ধরবেন না। কে কে ভাইরাস বহন করছি আমরা কেউ জানি না।
দয়া করে প্রতিটি গ্রামের সচেতন মানুষ আপনারা একটু সোচ্চার হোন। নিজের পরিবার, প্রতিবেশী ও গ্রামবাসীকে বোঝান, প্লিজ। মসজিদের মাইক থেকে মানুষকে উদ্বুদ্ধ মূলক, সচেতনমূলক অনুরোধ প্রচার করুন।
যে সকল সন্দেহ ভাজন ব্যক্তি আইসোলেশন মানবেন না তাদের ব্যাপারে নিজ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারন সম্পাদক, ওসি, ইউএনও বা উপজেলা চেয়ারম্যানকে খবর দিন। তাকে প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হবে।
প্রশাসনের লাঠির বাড়ির চিন্তা না করে নিজ নিজ বিবেক দিয়ে নিজেকে চাবুক মারুন। সচেতন হোন, নিজে বাঁচুন, পরিবার বাঁচান, মানুষ বাঁচান,
প্লিজ ….
সবার মঙ্গল কামনায়
মো: মিরোজ হোসেন
চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক
মাশুমদিয়া ইউনিয়ন, আমিনপুর, বেড়া,পাবনা।
আপনি সরকারের নিষেধাজ্ঞাকে ‘বীরের’ মত বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সিনেমার হিরোর মত নিজের গ্রামে এসে একজন গোঁয়ার, স্বার্থপর, রাজাকারের মত ঘুরে বেড়িয়ে নিজ পরিবার, নিজ পাড়া, গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলার জনগণকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছেন। আপনি কি মানুষ !!!!!
জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, গ্রামের মানুষ মাত্র ১৪ টি দিন আপনাকে একটু আলাদা থাকতে বলেছেন। জেল বন্দী হতে বলেন নি। দুরত্ব মেইনটেইন করে আলাদা থাকবেন, আপনার ব্যবহৃত জিনিষপত্র আলাদা রেখে নিয়মিত সাবান দিয়ে পরিস্কার করা, আপনি ঘর থেকে বের হলে মূখে মাস্ক, হাতে গ্লাভস পড়ে থাকবেন। যেন আপনি যদি ভাইরাস বহন করেন, তাহলে আপনার দ্বারা যেন কেউ সংক্রমিত না হয় । এটি সরকার তার স্বার্থে বলে নি। আপনার ও আপনার পরিবারের স্বার্থে বলেছে। আপনি দুধের বাচ্চা, আপনাকে বাবা মা আগুণ ধরতে নিষেধ করেছে, সেটিই আপনাকে ধরতে হবে।
এখোনো সময় আছে। মহান রাব্বুল আ’লামীনের প্রতি অগাধ বিশ্বাস রেখে দয়া করে আগামী কিছু দিনের জন্য একটু সাবধান হোন। কেউ কারো ৪/৫ ফুটের মধ্যে আসবেন না। একজনের ব্যবহৃত জিনিস অন্য জন ধরবেন না। কে কে ভাইরাস বহন করছি আমরা কেউ জানি না।
দয়া করে প্রতিটি গ্রামের সচেতন মানুষ আপনারা একটু সোচ্চার হোন। নিজের পরিবার, প্রতিবেশী ও গ্রামবাসীকে বোঝান, প্লিজ। মসজিদের মাইক থেকে মানুষকে উদ্বুদ্ধ মূলক, সচেতনমূলক অনুরোধ প্রচার করুন।
যে সকল সন্দেহ ভাজন ব্যক্তি আইসোলেশন মানবেন না তাদের ব্যাপারে নিজ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারন সম্পাদক, ওসি, ইউএনও বা উপজেলা চেয়ারম্যানকে খবর দিন। তাকে প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হবে।
প্রশাসনের লাঠির বাড়ির চিন্তা না করে নিজ নিজ বিবেক দিয়ে নিজেকে চাবুক মারুন। সচেতন হোন, নিজে বাঁচুন, পরিবার বাঁচান, মানুষ বাঁচান,
প্লিজ ….
সবার মঙ্গল কামনায়
মো: মিরোজ হোসেন
চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক
মাশুমদিয়া ইউনিয়ন, আমিনপুর, বেড়া,পাবনা।


No comments:
Post a Comment