10.10.24

অমিতাভ বচ্চন তাঁর জীবনীতে লিখেছেন...

আমি তখন ক্যারিয়ারের তুঙ্গে, আমি একবার বিমানে ভ্রমণ করছিলাম। আমার পাশে ছিলেন খুব  সাধারণ শার্ট এবং প্যান্ট পরিহিত এক ভদ্রলোক আমার পাশে বসে যাচ্ছিলেন দেখে ওনাকে একজন শিক্ষিত এবং মার্জিত মধ্যবিত্ত বলে মনে হয়েছিল। 



 অন্য সহ যাত্রীরা আমাকে চিনতে পেরে খুব উত্সাহিত হয়ে পড়েছিলেন এবং অটোগ্রাফ নিচ্ছিলেন। কিন্তু আমার পাশে বসা ভদ্রলোকে লক্ষ্য করলাম ওনার এই বিষয়ে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। 


ওনি খুব মনযোগ দিয়ে একটি খবরের কাগজ পড়ছিলেন আর মাঝে মাঝে জানালার বাইরে তাকিয়ে কিছু একটা ভাবছিলেন, একটুপর চা পরিবেশন করা হল লোকটির ঠোঁটে থ্যাংকস যেন লেগেই আছে। আমার ওনার প্রতি কৌতুহল বেড়েই চলছিল, তাই ওনার সাথে কথোপকথন করার জন্য আমি একটু হাসলাম। উনিও একটি সৌজন্যমূলক হাসি ফিরিয়ে দিয়ে বললো 'হ্যালো'। 


কিছু সৌজন্যমূলক কথোপকথন শুরু হয়ে গেল, আমি নিজে থেকে সিনেমা প্রসঙ্গ উত্থাপন করলাম। জিঙ্গাসা করলাম 'আপনি কি সিনেমা দেখেন?' 


 উত্তরে ওনি বললেন কখনো সখনো, শেষ সিনেমাটি দেখেছি তাও এক বছরের বেশি হয়ে গেছে।

আমি উল্লেখ করলাম আমি ওই চলচ্চিত্র শিল্পে কাজ করি।

ওনি উত্তরে বললেন.. "ওহ, চমৎকার। তুমি কি কর?'

 আমি উত্তরে বললাম, 'আমি একজন অভিনেতা'

 লোকটি মাথা নেড়ে বলল, 'ওহ, চমৎকার!' ব্যস এইটুকু।


প্লেন ল্যান্ড করার পর আমি ভদ্রলোকের দিকে করমর্দনের জন্য হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললাম হাই আমার নাম অমিতাভ বচ্চন। ওনি মাথা নত করে আমার হাতটা ঝাঁকিয়ে দিয়ে বললেন আপনার সাথে পরিচয় হয়ে দারুন লাগলো আপনি একজন মজার মানুষ, আমার নাম জে.আর.ডি. টাটা!"


ওই দিন থেকে একটা জিনিষ জানলাম যত বড়ই হয়না কেন। আমার চেয়ে বড় কেউ আছে। কিন্তু তার দৃষ্টিটা সর্বদাই মাটির দিকে।


শিক্ষনীয়... গাছ যতই বড় হয়, ততোটাই মাটির দিকে ঝুঁকে যায়।


স্যার রতন টাটা

সৌজন্যে- NIOS NEWS

এসব দেবদেবী হচ্ছে কাল্পনিক,বানোয়াট ও নিষ্ক্রিয় চরিত্র,এতে কোনো সন্দেহ নাই।

এসব দেবদেবী হচ্ছে কাল্পনিক,বানোয়াট ও নিষ্ক্রিয় চরিত্র,এতে কোনো সন্দেহ নাই। কিন্তু অস্ত্র হাতে এরা এভাবে দাঁড়িয়ে আছে কেন? কার হাত থেকে মূর্তি ভাঙ্গা রক্ষা করতে এরা দাঁড়িয়ে আছে? এরা কি বুঝাতে যাচ্ছে মুসলিম মুমিনরা হিন্দু বিদ্বেষী নয়?মুসলিম মুমিনরা যদি হিন্দু বিদ্বেষী না হয়,তবে এভাবে পাহারা দিতে হবে কেন?

তিনি রিসেট বাটন চেপে নিশ্চিত ভাবে অতীত মুছে দিয়েছেন।

একজন নোবেলজয়ী বাংলাদেশের মসনদে বসেই বললেন, তিনি রিসেট বাটন চেপে 'নিশ্চতভাবে' অতীত মুছে দিয়েছেন। শুনে যতোটা আতকে উঠেছি, তারচে বেশি অবাক হয়েছি। আতকে উঠেছি কারণ একমাত্র বিদেশি দখলদারই কোনো জাতিগোষ্ঠীর ইতিহাস মুছে দিতে চায় অনির্দিষ্টকাল ধরে শোষণ করার জন্যে। আর অবাক হয়েছি, ইতিহাস থেকেই জেনেছি, যে বা যারা ইতিহাস মুছে দিতে চায়, প্রকারান্তরে তারাই মুছে যায়, অথবা জঘন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে ধিকৃত হয়। [মরক্কো আন্তর্জাতিক কবিতা উৎসবে পঁচিশ দেশের পতাকার সাথে বাংলাদেশের পতাকা--৭১ সালে একটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে পাওয়া এই পতাকা আমাদের গর্ব!! লেখক সামছুল আরেফিন চৌধুরী

9.8.22

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বঙ্গমাতার স্মৃতিচারণ

 জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী ও রাজনৈতিক জীবনসঙ্গী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী আজ সোমবার। ১৯৩০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ইতিহাসে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কেবল একজন সাবেক রাষ্ট্রনায়কের সহধর্মিণীই নন, বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের অন্যতম এক নেপথ্য অনুপ্রেরণাদাত্রী। বাঙালি জাতির সুদীর্ঘ স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি বঙ্গবন্ধুকে সক্রিয় সহযোগিতা করেছেন। বঙ্গবন্ধুর দৃঢ় চেতনাকে আরো শাণিত করেছিলেন এই মহীয়সী নারী। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্টজনের কথা উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নাম অগ্রগণ্য।


বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের পারিবারিক নাম রেণু। বঙ্গবন্ধুর বাল্যকালে বাবা-মা হারানো চাচাতো বোন রেণুর (বয়স মাত্র ৩ বছর) সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক করেন পরিবারের সদস্যরা। মিশনারি স্কুল থেকে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব অল্প-বিস্তর প্রাথমিক প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা লাভ করেন। এরপর আর পড়ালেখার সুযোগ হয়নি। কিন্তু তিনি ছিলেন একজন জ্ঞানী, বুদ্ধিদীপ্ত, বিচক্ষণ, দায়িত্ববান ও ধৈর্যশীল নারী। বঙ্গবন্ধুর জীবনে তার প্রভাব ছিল অপরিসীম।


বঙ্গবন্ধু তার আত্মজীবনীতে লিখেছেন, ‘রেণু খুব কষ্ট করত, কিন্তু কিছুই বলত না। নিজে কষ্ট করে আমার জন্য টাকাপয়সা জোগাড় করে রাখত, যাতে আমার কষ্ট না হয়।’ আর এক জায়গায় লিখেছেন, ‘সে [রেণু] তো নীরবে সকল কষ্ট সহ্য করে, কিন্তু কিছু বলে না। কিছু বলে না বা বলতে চায় না, সেই জন্য আমার আরও বেশি ব্যথা লাগে।’


বঙ্গবন্ধু তার আত্মজীবনীতে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব প্রসঙ্গে লিখতে গিয়ে গোপালগঞ্জ জেলগেটে কথোপকথন সম্পর্কে বলেন, “রেণু আমাকে যখন একাকী পেল, বলল, “জেলে থাকো আপত্তি নাই, তবে স্বাস্থ্যের দিকে নজর রেখো। তোমাকে দেখে আমার মন খুব খারাপ হয়ে গেছে। তোমার বোঝা উচিত আমার দুনিয়ায় কেউ নাই। ছোটবেলায় বাবা-মা মারা গেছেন ... তোমার কিছু হলে বাঁচব কী করে?’ ...আমি বললাম, খোদা যা করেন তাই হবে, চিন্তা করে লাভ কী?”


বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বঙ্গমাতার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, “জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত (বঙ্গবন্ধুর) পাশে ছিলেন, যখন ঘাতকেরা আমার বাবাকে হত্যা করল, তিনি তো বাঁচার আকুতি করেননি। তিনি বলেছেন, ‘ওনাকে যখন মেরে ফেলেছ, আমাকেও মেরে ফেল।’ এভাবে নিজের জীবনটা উনি দিয়ে গেছেন।” এভাবেই বঙ্গবন্ধুর জীবনের সুখ-দুঃখের সাথি হয়েই শুধু নয়, মৃত্যুতেও সাথি হয়েছিলেন তার সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নিজ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শাহাদত বরণ করেন তিনি।

বঙ্গমাতার প্রতি 

বিনম্র শ্রদ্ধা

মাতব্বর সুজন খানে বাড়ি মাসুমদিয়া আমিনপুর পাবনা।

৯_৮_২২



18.2.22

খন্দকার আজিজুল হক আরজু পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী হিসাবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে।

মাতুব্বর সুজন:- আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারী শনিবার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
উক্ত সম্মলনে সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন সাবেক সাংসদ ও পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জনাব খন্দকার আজিজুল হক আরজু। এই পদে আরও প্রার্থী রেজাউল রহিম লাল ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পাবনা জেলা আওয়ামী লীগ ও চেয়ারম্যান পাবনা জেলা পরিষদ অন্য জন হলেন জনাব শামসুল হক টুকু এমপি। আগামি সম্মেলনকে ঘিরে রয়েছে শহরে সাজ সাজ রব।দিন যতই ঘনিয়ে আসছে পাবনা তৃণমূল নেতা কর্মিদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ আর উৎকন্ঠা। পাবনা সম্মেলন সম্পর্কে কথা হয় তৃণমূল নেতা কর্মিদের সাথে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নেতা কর্মিরা বলেন আগামি সম্মেলনে আমরা সভাপতি হিসাবে সাবেক সাংসদ খন্দকার আজিজুল হক আরজু কে সভাপতি হিসাবে দেখতে চাই। কারণ চানতে চাইলে তারা বলেন বিগত দিনে তিনি পাবনা ০২ নির্বাচনি এলাকার সাংসদ ছিলেন। তিনি এলাকার উন্নয়নে তৃণমূল নেতা কর্মিদের সাথে নিয়ে এলাকার উন্নয়ন করেছেন।তিনি একজন কর্মিবান্ধব নেতা। তিনি কর্মির বিপদে আপদে পাশে থাকেন এবং কর্মিদের দুর্দিনে সাথী। তাই তৃনমুলের জোড় দিয়ে বলেন যে আমরা সভাপতি হিসাবে আরজু কে চাই। এদিকে কথা হয় সাবেক সাংসদ ও সভাপতি পদপ্রার্থী জনাব খন্দকার আজিজুল হক আরজুর সাথে। তিনি বলেন আগামী সম্মেলনে তৃণমূল নেতা কর্মিরা যদি আমাকে সভাপতি নির্বাচিত করে তাহলে সভাপতি হিসাবে আমার প্রথম কাজ হবে পাবনা জেলা আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করা এবং দুর্দিনের ত্যাগি নেতা কর্মিদের মুল্যায়ন করা। সেই সাথে আগামি নির্বাচনে যাতে জনগণ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে রাষ্টীয় ক্ষমতায় আনতে পারে সেই লক্ষে কাজ করা। মাতুব্বর সুজন খানে বাড়ি মাসুমদিয়া আমিনপুর পাবনা।

28.11.21

সফল চেয়ারম্যান মিরোজ হোসেন কে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই


 মাতব্বর সুজন:- প্রতিটি মানুষের স্বপ্ন থাকে। কিন্তু স্বপ্নের পথে পা বাড়ালেই একের পর এক আসতে থাকে প্রতিবন্ধকতা। যে ব্যক্তি এসব প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে এগিয়ে যাবেন তিনিই হবেন সফল। আজ এমনই একজন সমাজ সেবক নিয়ে কথা বলব। যিনি অনেক বাধা ও প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে একজন সফল ব্যক্তি (চেয়ারম্যান) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। তিনি আর কেউ নন। তিনি হলেন পাবনা জেলার ইতিহাসে সফল ও জনপ্রিয় বেড়া উপজেলার ৮নং মাশুমদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মিরোজ হোসেন।

মিরোজ মাশুমদিয়ার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। তারপরও মানুষের প্রত্যাশা থাকে। তিনি তাঁর পরিশ্রম, সাহস, ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা আর প্রতিভার সমন্বয়ে সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য, স্থানীয় সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিক ও সুচারুভাবে বাস্তবায়নের জন্য, সর্বোপরি শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্ন রয়েছে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য এবং আগামী নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের জয়লাভের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

মিরোজ হোসেন এ কাজে সফলও হয়েছেন। সকলের সহযোগিতা পাচ্ছেন এবং সহযোগিতার আশাও ব্যক্ত করে চলেছেন। চেয়ারম্যান হিসেবে সফলতা পাওয়ায় তিনি আজ মাশুমদিয়া ইউনিয়নে সর্বত্র সম্মানিত হচ্ছেন। তারুণ্যের প্রতীক এ ব্যক্তি তাঁর বয়স ও অভিজ্ঞতা দুটিকেই হার মানিয়েছেন। তাঁর কর্মকান্ডে মনে হয় তিনি নবীন নয়। তিনি অনেক প্রবীণ। তার অভিজ্ঞতা রয়েছে অনেক।

এসকল সফল মানুষের পেছনে আছে কিছু গল্প, তা অনেকটা রূপকথার মতো। আর সে সব গল্প থেকে মানুষ খুঁজে নেয় স্বপ্ন দেখার সম্বল, এগিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন প্রেরণা।

কথা বলছিলাম পাবনার বেড়া উপজেলা মাশুমদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সফল চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরাম (বিইউপিএফ) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিরোজ হোসেন (৩৫) সম্পর্কে।

মাশুমদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই উল্লেখযোগ্য উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। এলাকার হতদরিদ্র মানুষের উন্নয়নে তাঁর নিরন্তর প্রয়াস সব মহলেই প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় বিশেষ অবদান, সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়নে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে এলাকায় নিজের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। তার সাথে দলের ভাবমূর্তির উন্নয়ন হয়েছে। পাবনার বেড়া উপজেলার আলোকিত মুখ হিসেবে পরিচিত এ মানুষটি নিজের সাফল্যের কারণে বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক নানা ভাবে প্রশংসিতও হয়েছেন এবং পেয়েছেন অসংখ্য জাতীয পুরস্কার। অসংখ্য মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ ও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠণের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক সমাজসেবী মিরোজ হোসেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি অত্যন্ত নম্র, ভদ্র, সদাহাস্যোজ্জ্বল ও সাদা মনের মানুষ। তাঁর মাঝে কোন অহংকার নেই। নিরহংকারী এই মানুষটি দলমত নির্বিশেষে আজ সকলের কাছে প্রিয়।

গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় অনেক প্রবীণ আ’লীগ নেতাকে পেছনে ফেলে তিনি পেয়েছেন দলীয় মনোনয়ন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মিরোজের কর্মকান্ডে তুষ্ট হয়েই তাকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। সেই আস্থার প্রতিদানও দিচ্ছেন তিনি। কাজ করে যাচ্ছেন, দলের জন্য এবং খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের জন্য। কাজ করছেন খন্দকার আজিজুল হক আরজু, এম.পি’র জন্য। কাজ করছেন নৌকার জন্য। সর্বোপরি কাজ করছেন সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য। বয়সে তরুন হলেও তিনি মনোবল হারাননি। এই সফল মানুষটি দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিটি মানুষের বিপদ আপদে ছুটে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এলাকায় তিনি একজন সাদা মনের, উদার মানসিকতার ও দানশীল মানুষ হিসেবে ইতিমধ্যে পরিচিতি লাভ করেছেন।

এলাকার সাধারণ মানুষের মতে, আমরা নেতা বা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বুঝিনা। মিরোজ একজন ভাল মানুষ। তিনি একজন কর্মঠ ব্যক্তি। তিনি চেয়ারম্যান পদে থাকলে আমাদের তথা এলাকার উপকার হবে। আমাদের দু:খ দুর্দশায় তাঁকে সহজেই পাশে পাওয়া যায়।

একান্ত আলাপচারিতায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিরোজ হোসেন বলেন, এলাকাটি অবহেলিত হওয়ায় দ্বায়িত্ব নেয়ার পর থেকে তাদের উন্নয়নে বেশী পরিশ্রম করতে হচ্ছে। আমি আমার নিজস্ব প্রচেষ্টায় তাদের ভাগ্য উন্নয়নে সবসময় পাশে থাকতে চাই। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে নিজেকে সপে দিব। সৃষ্টিকর্তা আমাকে এ তৌফিক দান করুন।

মাতব্বর সুজন

খানেবাড়ি মাসুমদিয়া

আমিনপুর পাবনা।

3.9.21

আসন্ন মাসুমদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে পুনরায় মিরোজ হোসেনকে নৌকার মাঝি হিসেবে দেখতে চাই।

 আসন্ন মাসুমদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে পুনরায় মিরোজ হোসেনকে নৌকার মাঝি হিসেবে দেখতে চাই।

বিগত আমলে মাসুমদিয়া ইউনিয়ন ছিলো অবহেলিত।

মিরোজ ভাই চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে যে সব অবকাঠামো উন্নয়ন রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন হয়েছে এর আগে এমন হয় নাই।

 স্কুল, কলেজ, মসজিদ,মাদ্রাসার, মন্দির

সব কিছুতেই উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে।

 এছাড়াও শতভাগ প্রতিবন্ধী ভাতা, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, প্রদান করেছেন।

 সবচেয়ে বড় সাফল্য রাজনৈতিক দুরর্দশীতার মাধ্যমে সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করছেন।

 দলের গ্রুপিং রাজনীতি ভেঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন।

আওয়ামী লীগ কে সুসংগঠিত করেছেন।

সেই জন্যে আমাদের একটাই দাবি জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আবারও মিরোজ হোসেন কে নৌকার প্রতিক বরাদ্দ করা হোক।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।


মাতব্বর সুজন

খানেবাড়ি মাসুমদিয়া

আমিনপুর পাবনা


28.6.21

আজ ৬৯ পাবনা-২ আসনের সাবেক সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ তফিজ উদ্দিনের মৃত্যুবার্ষিকী

  মাতুব্বর সুজন: আজ ৬৯ পাবনা-২ আসনের সাবেক সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ তফিজ উদ্দিনের মৃত্যুবার্ষিকী ।

সাবেক প্রাদেশিক পরিষদ ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য এবং মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। আহমেদ তফিজ উদ্দিনের জন্ম ১৯২৯ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়ীয়া (তারাবাড়ীয়া) গ্রামে।তার পিতার নাম আব্দুল শুকুর মন্ডল এবং মাতার নাম ভায়না খাতুন।

আহমেদ তফিজ উদ্দিন নিজ গ্রামের ফ্রী প্রাইমারী স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৪৩ সালে ম্যাট্টিক,পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে আইএসসি ও বিএসসি পাস করেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে ব্যাচেলর অব টিচিং (বিটি) ডিগ্রি অর্জন করেন।

আহমেদ তফিজ উদ্দিন কর্মজীবনে প্রথম দিকে শিক্ষাকতা করেন।পরে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে নিরীক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চাকুরী করার সময় ইন্টার্ন কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন নামে করাচিতে একটি বাঙালি সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিন বছর সমিতি পরিচালনা করেন এবং বাঙালিদের অসুবিধা দূরীকরণে আত্মনিয়োগ করেন।১৯৬৩ সালে তাকে বিদেশে বদলির আদেশ দিলেন এবং বাঙালিদের প্রতি পাকিস্তানের বৈষম্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে তিনি সরকারী চাকুরি ছেড়ে দেন।১৯৬৪ সালের ১লা জুলাই তিনি সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন ও এলাকার উন্নয়নে মনোনিবেশ করেন।ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন।

আহমেদ তফিজ উদ্দিন রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ১৯৪৮ সালে তৎকালীন মুসলিম ছাত্রলীগে অংশগ্রহণের মাধ্যমে।১৯৫০ সালে তিনি পাবনা এডওয়ার্ড কলেজের ছাত্র সংসদের নির্বাচিত এজিএস ছিলেন।এরপর তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।আহমেদ তফিজ উদ্দিন পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন।স্বাধীনতাযুদ্ধে তিনি ভারতের কেচোয়াডাঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ ছিলেন।

আহমেদ তফিজ উদ্দিন ১৯৭০ সালে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে এমএনএ,১৯৭৩ সালে ও ১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।১৯৮৫ ও ১৯৯০ সালে তিনি সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।আহমেদ তফিজ উদ্দিন সাতবাড়ীয়া কলেজর প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করেন।এছাড়াও স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সমাজ সেবা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন।মাধ্যমিক পযার্য়ে বেশ কিছু পাঠ্যপুস্তক রচনা করেন তিনি।ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য জ্যামিতির ওপর তিনি পাঠ্য বই লিখেছেন, যা উচ্চ বিদ্যালয়গুলোর পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত ছিল।

১৯৯৮ সালের ২৮ জুন পাবনার জননন্দিত নেতা আহমেদ তফিজ উদ্দিন মৃত্যুবরণ করেন।

24.6.21

একদিনে করোনা শনাক্ত ৬ হাজার ৫৮ জন, মৃত্যু ৮১

মাতুব্বর সুজন:- বৃহস্পতিবার (২৪ জুন ২০২১) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাছিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে পুরুষ ৫৫ ও নারী ২৬ জন। তাদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬২, বেসরকারি হাসপাতালে ১৪ এবং বাসায় ১০ জন মারা যান। এ নিয়ে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩ হাজার ৮৬৮ জনে। একই সময়ে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ছয় হাজার ৫৮ জন। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে আট লাখ ৭২ হাজার ৯৩৫ জনে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারি ও বেসরকারি ৫৫৪টি ল্যাবরেটরিতে ৩০ হাজার ৯৯৪টি নমুনা সংগ্রহ ও ৩০ হাজার ৩৯১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৬৪ লাখ ৩৫ হাজার ৪৬৬টি। এতে নতুন করে ছয় হাজার ৫৮ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার হিসাবে শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ। গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ। এদিকে, একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ২৩০ জন। এ নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল সাত লাখ ৯৪ হাজার ৭৮৩ জনে। সূত্র: ডিবিসি টিভি

17.4.21

করোনায় দেশে আগের সকল মৃত্যু ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড! ‘সর্বাত্মক লকডাউন’র তৃতীয় দিন করোনায় আরও ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০ হাজার ১৮২ জনে

 করোনায় দেশে আগের সকল মৃত্যু ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড! ‘সর্বাত্মক লকডাউন’র তৃতীয় দিন করোনায় আরও ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০ হাজার ১৮২ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ হাজার ৪১৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এতে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ১১ হাজার ৭৭৯ জনে।

করোনাভাইরাস নিয়ে শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরও ৫ হাজার ৬৯৪ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ২ হাজার ৯০৮ জন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) দেশে আরও ৪ হাজার ১৯২ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া মারা যান দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৯৪ জন।

https://sites.google.com/view/erd67g/home

এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে মারা গেছেন ১৩ হাজার ৮৩৯ জন এবং নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮ লাখ ৩৬ হাজার ২৯৪ জন। এ নিয়ে বিশ্বে মোট করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২৯ লাখ ৯৯ হাজার ২৪৬ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ কোটি ৯৬ লাখ ৭০ হাজার ৮০০ জন। এ ছাড়া সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ কোটি ৮৭ লাখ ১৯ হাজার ৫৬ জন।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ২২ লাখ ২৪ হাজার ১৩৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৯৯৩ জনের।

15.11.20

নৌকার মাঝি রেজাউল হক বাবুর গাড়ী বহরে হামলা ।

মাতুব্বর সুজন:- শনিবার(১৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বেড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকার সিঅ্যান্ডবি মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।


পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য শামসুল হক টুকু ও তার ভাই উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সভাপতি আব্দুল বাতেনের সমর্থকরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ দুলাল। এ সময় কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

আব্দুর রশিদ দুলাল জানান, বেড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল কাদেরের মৃত্যুতে শূন্য আসনে শুক্রবার জাতসাখিনী ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল হক বাবুকে মনোনয়ন দেয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন দলের মনোনয়ন বোর্ড।

তিনি বলেন, দলের সিদ্ধান্ত মেনে মনোনয়ন প্রাপ্ত বাবুকে নিয়ে আমরা শনিবার বিকেলে ঢাকা থেকে এলাকায় ফিরে আসি। সভানেত্রীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় হাজারো জনতা কাজিরহাট ঘটে দলের প্রার্থীকে বরণ করে নেন। পরে একটি দলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে সদ্য প্রয়াত বেড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদেরের কবরস্থান জিয়ারত করতে যান। এ সময় অতর্কিতভাবে স্থানীয় সংসদ সদস্য শামসুল হক টুকু ও তার ভাই আব্দুল বাতেনের সমর্থক চিহ্নিত সন্ত্রাসী ময়ছের ও চৌদ্দর নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা আমাদের পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।

এ সময় সন্ত্রাসীরা রেজাউল হক বাবুর গাড়িসহ ৩০টি গাড়ি ভাঙচুর করে। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আলফু খান, বাধন শেখ, মিরাজ হোসেন, তারেক, আলী ড্রাইভার, জুলহাস, আওয়াল মাস্টার, মনছের মোল্লা, আজাদ মুন্সী, স্বাধীনসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। পরে স্থানীয় বাজারের লোকজন তাদের ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়।

আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

দুলাল আরো বলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু এমপির ভাই আব্দুল বাতেন নিজ অপকর্মের কারণে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বেড়া পৌর মেয়র পদ থেকে বরখাস্ত হয়েছেন। বিষয়টির জন্য টুকু সাহেব অকারণেই আমাদের দায়ী করছেন। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কীত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হওয়ায় পুলিশ প্রশাসনকে তার নিজের মতো করে ব্যবহার করছেন। আজকের হামলার সময়ও পুলিশ নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন। আমরা বেড়া থানা পুলিশের এমন আচরণের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তাদের সরিয়ে নেয়ার দাবি করছি।

বেড়া উপজেলা পরিষদ উপ-নর্বচনে সদ্য মনোনয়ন প্রাপ্ত রেজাউল হক বাবু বলেন, বড় দল হিসেবে দলের অভ্যন্তরে মনোনয়ন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকতেই পারে। কিন্তু সভানেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত অমান্য করে এমন হামলা মেনে নেওয়া যায় না। এ হামলার বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে বেড়া সার্কেল এর সহকারী পুলিশ সুপার শেখ জিল্লুর রহমান ঘটনার সতস্যতা স্বীকার করে বলেন, সেখানে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর লোকজনের ওপর কতিপয় দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছে।  আর কয়েকটি বিস্ফোরণর ঘটনাও ঘটেছে। প্রার্থীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে ওই এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, প্রভাবশালী কারো দ্বারা পুলিশ প্রভাবিত নয়। অভিযোগের সত্যতা পেলে যে কারো বিরুদ্ধে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এ বিষয়ে পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য শামসুল হক টুকুর সঙ্গে কথা বলতে মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।


12.10.20

আসন্ন বেড়া উপজেলা পরিষদ উপ - নির্বাচনে রেজাউল হক বাবু কে বেড়া উপজেলাবাসী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই ।

 


মাতব্বর সুজন:- আসন্ন বেড়া উপজেলা পরিষদ উপ - নির্বাচনে রেজাউল হক বাবু কে বেড়া উপজেলাবাসী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই ।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের পুরানভারেঙ্গা ইউনিয়ন শাখার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও মৃত্যু পর্যন্ত ( ২০০২ সাল ) সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী বীর মুক্তিযােদ্ধা জননেতা আলহাজ্ব জহুরুল হক মিয়া'র সুযােগ্য সন্তান জাতসাখিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মােঃ রেজাউল হক বাবু’র রাজনৈতিক ও কর্মময় জীবন ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাতসাখিনী ইউনিয়ন শাখার সভাপতির দায়িত্ব পেয়ে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন । ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের জাতসাখিনী ইউনিয়নের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন । ১৯৯৭ সালে বেড়া উপজেলা যুবলীগের যুগা - সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ২০১০ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন । ২০০০ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ বেড়া উপজেলা শাখার যুগ্ম - আহ্বায়ক হিসেবে অদ্যবদি দায়িত্ব পালন করছেন । বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাতসাখিনী ইউনিয়ন শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ( ২০১২-২০১৯খ্রি :) পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন । গত ০৮-১১-২০১৯ খ্রিঃ তারিখ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাতসাখিনী ইউনিয়নের সম্মেলনে তৃণমূলের ভােটে নির্বাচিত হয়ে এখন পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন । তিনি বঙ্গবন্ধুর ও জাতীয় ৪ নেতা পরিষদের পাবনা জেলা শাখার অন্যতম সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন এবং বেড়া উপজেলা মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মলীগের অন্যতম সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন । তিনি সিন্দুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সম্মানিত সভাপতি ও সৈয়দপুর স্কুল এন্ড কলেজের গভর্ণিং বডির সম্মানিত সভাপতি এবং সিন্দুরী জামিয়া ফোরকানিয়া মাদরাসার প্রতিষ্ঠা কালীন সাধারণ সম্পাদক ও নয়াবাড়ী কওমী মাদরাসার আজীবন সদস্য । বিশ্ব মানবাধিকার ফাউন্ডেশন । কর্তৃক সাংগঠনিক কর্মদক্ষতা এবং মানবসেবার স্বীকৃতিস্বরূপ মাদার তেরেসা গােল্ড মেডেল পদক প্রাপ্তি তার আরেক অর্জন । এছাড়া তিনি এলাকার মসজিদ , মাদরাসা , এতিমখানা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ দুঃস্থ - অসহায়দের সাহায্য সহযােগিতায় তার অনুদানের হাত বরাবরই প্রসারিত করে থাকেন ।

20.9.20

বেরা উপজেলা উপ নির্বাচনে কে হবে নৌকার প্রার্থী

 


মাতব্বর সুজন:- বেড়া উপজেলার গর্ব আমিনপুর থানার কৃতি সন্তান সকলের ভালোবাসার মানুষ জাতসাকিনি ইউনিয়নের সফল  চেয়ারম্যান ও সভাপতি জননেতা জনাব রেজাউল হক বাবু ভাই কে আগামী বেড়া উপজেলা উপ নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চাই।

13.9.20

শেখ রেহানার জীবনালেখ্য নিয়ে কিছু কথা

 


মাতব্বর সুজন:- বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানার জন্মদিন ১৩ সেপ্টেম্বর। শেখ রেহানার জীবনালেখ্য নিয়ে হয়তো বেশি কিছু জানা যায়নি, তবে জীবনের গভীরতা অনুধাবন করা যায় ব্যাপকভাবে। কারণ, তার সাদামাটা জীবনচরিত এবং অতিথিপরায়ণতা সকলের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে।

তিনি বাংলার সাধারণ জনগোষ্ঠীর মতই জীবনাচরণ করে থাকেন। চরিত্রে কখনও আদিখ্যেতা কিংবা অহংকার মনোবৃত্তি পোষণ করেননি। নীরবে নিবৃত্তে দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, সংগ্রাম করে যাচ্ছেন জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে। সুযোগ্য মায়ের যোগ্য উত্তরসূরী শেখ রেহানা, মা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব পর্দার অন্তরালে থেকে বঙ্গবন্ধুকে দিয়েছিলেন সাহস ও অনুপ্রেরণা যার ফলশ্রুতিতে শেখ মুজিব বঙ্গবন্ধু হতে পেরেছিলেন। আর এখানে শেখ রেহানার ভূমিকা আরও সুস্পষ্ট, বোন শেখ হাসিনা আজ বিশ্ব নেতৃত্বের অংশীদার হতে পেরেছেন এবং তার পিছনে নিঃসন্দেহে ভূমিকা রয়েছে শেখ রেহানার।

শেখ রেহানার ইতিবাচক ভূমিকার কারণেই শান্তির আলোকবর্তিকা হাতে বিশ্বময় শেখ হাসিনা। আমাদের নিবন্ধের আলোকপাত এখানেই, শেখ রেহানা বেগম মুজিবের পরিপূরক হয়ে উঠেছেন তার কর্মে এবং যোগ্যতার মাপকাঠিতে। বঙ্গবন্ধু থাকা অবস্থায় সংবাদমাধ্যমে খুবই কম এসেছে ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের নাম, কিন্তু পরবর্তীতে অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে বেগম মুজিবের ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন স্বয়ং বঙ্গবন্ধু। কিন্তু জীবিত থাকাবস্থায় কখনও বেগম মুজিবকে ফ্রন্টলাইনে দেখা যায়নি। আড়ালে থেকে তিনি নিজের কাজটাই ঠিক মতো করেছেন দেশকে স্বাধীনতা পাইয়ে দেবার আশায়।

বিভিন্ন পুস্তিকায়, গবেষণা গ্রন্থে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন সময়ে বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর জেলে থাকা অবস্থায় বেগম মুজিব কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন সাপেক্ষে সুপ্রতিষ্ঠিত তথা ইতিবাচক ফল এনেছে তেমনি দেখা যায়। শেখ রেহানাও ঠিক তেমনিভাবে তার বোন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতির বিপদসংকুল পর্যায়গুলোতে আগলে রাখেন এবং সঠিক পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করে থাকেন। নিজের ভেতরে সামান্য সময়ের জন্য হলেও ক্ষমতার লোভ উসকে উঠেনি।

ইতিহাসবিদগণ যখন আজ থেকে ১০০ বছর পরে বাংলার অর্থনৈতিক উন্নয়নের ইতিহাস রচনা করবেন সে সময়ে শেখ রেহানার নাম মর্যাদাপূর্ণভাবে বাংলার ইতিহাসে প্রতিষ্ঠিত হবে। মায়ের মত শেখ রেহানার গৃহীত পদক্ষেপগুলো সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে হত্যার শাস্তির বিষয়ে বিশ্বজনমত গড়ার লক্ষ্যে প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করেন শেখ রেহানা এবং আজ বাঙালি বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলিয়ে কিছুটা হলেও দায়মুক্তির পথ খুঁজে পেতে পারে।

আমরা দেখেছি ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় বেগম মুজিবের গৃহীত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বঙ্গবন্ধুকে বিনা শর্তে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিলো তৎকালীন সামরিক সরকার। ১/১১ এর সময়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যে বিভক্তিকরণ দেখা দিয়েছিল তা রুখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন শেখ রেহানা। সে সময়ে পর্দার আড়ালে থেকে দলের ঐক্য বজায় রাখতে ব্যাপক ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। তিনি যদি সে সময় দলকে আগলে না রাখতেন তাহলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কোথায় গিয়ে দাঁড়াতো তা অনুমান করাটাও বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত হিসেবে বিবেচিত হত।

নিরহংকারের শ্রেষ্ঠ উদাহরণ শেখ রেহানা। বোন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী অথচ চরিত্রে তার কোন লেশ নেই। পাবলিক গাড়িতে করে নিজের অফিসে আসা যাওয়ার খবর সংবাদ মাধ্যমে দেখেছি আমরা। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান শরিফের সাথে কয়েকবার সাক্ষাত হয়েছিলো আমার। ওনার কাছ থেকে শুনেছি, মায়ের ডুপ্লিকেট কপি শেখ রেহানা। যে কাউকে সহজেই আপন করে নেওয়ার মোক্ষম ক্ষমতা পেয়েছে বঙ্গবন্ধুর জীবিত দুই কন্যা। যে কোন সময়ে বিনা পারমিশনে দেখা করা যায় প্রধানমন্ত্রীর সাথে এবং শেখ রেহানার সাথে।

বৃটেনের যে কোন বাঙালি নাগরিক শেখ রেহানার কাছে নিমেষেই যেতে পারেন। কষ্ট করে জীবিকা নির্বাহের দৃষ্টান্ত হিসেবে তিনি পাথেয় হয়ে থাকবেন। একবার ভাবা যায়, নিজের বোন প্রধানমন্ত্রী অথচ তিনি অন্যের অফিসে কাজ করেন। সততার এমন দৃষ্টান্ত বিরল এবং শেখ রেহানা তা স্থাপন করেছেন। মানবিক মানুষ হিসেব তিনি অনন্য। বঙ্গবন্ধুর পরিবার বাংলার মানুষের সুখে-দুখে সবসময় থেকেছে এবং এ বিষয়টাতে বোন প্রধানমন্ত্রীকে তিনি উৎসাহ দিয়েছেন, প্রয়োজনে পরামর্শ দিয়েছেন।

সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের নির্মম নির্যাতনের চিত্র সচক্ষে দেখতে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কক্সবাজারের উখিয়ায় গিয়েছেন এবং রোহিঙ্গাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য বোন শেখ হাসিনাকে সাহায্য করেছেন। বঙ্গবন্ধুর সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য বিভিন্ন বিষয়ে উপদেষ্টা নিয়োগ করা ছিলো এবং সবথেকে বড় উপদেষ্টা ছিলো ফজিলাতুন্নেসা মুজিব। এবং এ বিষয়টি বঙ্গবন্ধু তার কাছের মানুষদের কাছে উল্লেখ করেছিলেন।

আমার মনে হয়, এখন শেখ হাসিনার সব থেকে প্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টা শেখ রেহানা। জাতির দুর্যোগ এবং ক্লান্তিলগ্ন অবস্থায় সব সময় তিনি সদুপদেশ দিয়ে থাকেন এবং বাস্তবায়ন সাপেক্ষে সফল হয়েছে সিদ্ধান্তগুলো। অভিভাবক হিসেবে ও তিনি অনন্য।

বড় মেয়েকে বৃটেনের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা করেছেন। লেবার পার্টি থেকে দুবার এমপি হয়েছেন টিউলিপ সিদ্দিক। ছেলে আওয়ামী লীগের গবেষণা কাউন্সিল সিআরআই এর সাথে যুক্ত। সিআরআই থেকে প্রকাশিত বইগুলোতে নিজের মুন্সিয়ানার ছাপ দেখিয়েছেন ববি। বঙ্গবন্ধুকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার নিমিত্তে নিরলস চিত্তে কাজ করে যাচ্ছেন। ছোট মেয়ে এখনো লেখাপড়া করছেন। সুতরাং অভিভাবক হিসেবে তিনি অনন্য।

শুধু কি তাই, প্রধানমন্ত্রীর ছেলেমেয়েদের মানুষ করার ব্যাপারেও তিনি জোরালো ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি শেখ হাসিনাকে বলতেন, আপা তুমি বড়, তাই তুমি রাজনীতিটা কর আর আমি তোমার ছেলেমেয়েদের দেখাশোনা করি। আজকে শেখ হাসিনার ছেলেমেয়েরা বিশ্বে সুপ্রতিষ্ঠিত, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন এবং তার ফলাফল আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ। আর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ অটিজম ধারণাটিকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং জাতিসংঘসহ বিশ্বের প্রতিষ্ঠান থেকে সম্মাননা পেয়েছেন। এ সব কৃতিত্বের ভাগীদার শেখ রেহানাও।

বহুমুখী গুণের অধিকারী, মানবিক মানুষ শেখ রেহানার জন্মদিনে শোষিত মানুষের পক্ষ থেকে অভিনন্দন। আশা রাখছি, তিনি তার মতো পর্দার আড়ালে থেকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির বাংলাদেশ গড়তে বোন শেখ হাসিনাকে অবিরত পরামর্শ, সহযোগিতা ও উৎসাহ প্রদান করবেন। বাংলা এবং বাঙালির প্রয়োজনে এমন নির্মোহ মানুষের খুবই প্রয়োজন।

তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে সংগ্রাম করে জীবন জয়ী হওয়া যায়, রিফিউজি হিসেবে ছিলেন তিনি, তারপরেও টিকে ছিলেন জীবন সংগ্রামে। ৭৫ এর পট পরিবর্তনের পর দুর্বিষহ জীবন যাপন করেছিলেন, অসীম সাহস এবং সক্ষমতার পরিচয় দেখিয়ে তিনি অনেক জায়গায়ই সফলতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি দীর্ঘজীবী হন এবং বাংলার মানুষের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন এমনটাই প্রত্যাশা আজকের দিনে। (সংগৃহিত)

11.9.20

বেড়া উপজেলা পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধাররণ সম্পাদক আঃ কাদের মিয়া মৃত্যু বরন করেন।

 


মাতব্বর সুজন:-বেড়া উপজেলা পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধাররণ সম্পাদক আঃ কাদের মিয়া মৃত্যু বরন করেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তাঁর মৃত্যুততে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।

আব্দুল কাদের মিয়ার বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনঃ

গণমানুষের নেতা জনাব আব্দুল কাদের ১৯৭৪ সালে পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং ১৯৭৮ সালে পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ সালে শহীদ বুলবুল কলেজে ছাত্র সংসদের এবং ১৯৭৪ সালে সরকারি এডওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৭২ সালে নগরবাড়ি ঘাটে শ্রমিক ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা করে প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নগরবাড়ি মুজিব বাঁধ উদ্বোধনকালে ঐতিহাসিক বিশাল জনসভার পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ সালে কাশিনাথপুর শহীদ নূরুল হোসেন ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭২ সালে জাতসাখিনী ইউনিয়নের চকভরিয়া গ্রামে তাঁর পিতার নামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।   

এছাড়া জেলা আওয়ামীলীগের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অর্ধশতাধিক বছর ধরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক হিসেবে সক্রিয় রাজনীতি করেছেন তিনি।

10.9.20

ঝড়ে গেল আমিনপুর থানার একটি নক্ষত্র।


মাতব্বর সুজন:- বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের আর আমাদের মাঝে বেঁচে নেই। ওনার যে পরিনতি হয়েছে আমাদেরোও একি পরিনতি হবে।

আমিনপুর থানা তথা বেরা উপজেলা বাসির জন্য অপুরনিয় ক্ষতি। আমরা গভীর ভাবে শোকাহত। শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

5.9.20

নারায়ণগঞ্জ শহরের ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা এলাকায় একটি মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় ১১ মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।



মাতব্বর সুজন:- নারায়ণগঞ্জ শহরের ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা এলাকায় একটি মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় ১১ মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। দগ্ধ হয়েছেন আরো অনেকে। এশার নামাজ চলার সময় গতকাল শুক্রবার রাতে পশ্চিম তল্লা এলাকার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে এ বিস্ফোরণ ঘটে।

মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় আজ শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। শেখ হাসিনা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্তলাল সেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

এদিকে, বিস্ফোরণের ঘটনা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে একাধিক মতামত রয়েছে। কেউ বলছেন মসজিদের ভিটির নিচ থেকে গ্যাস বিস্ফোরণ; কেউ বলছেন মসজিদের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) যন্ত্র বিস্ফোরিত হয়েছে।


এদিকে মসজিদের ভেতর ছয়টি এসি দুমড়েমুচড়ে গেছে। ২৫টি সিলিং ফ্যানের পাখা বাঁকা হয়ে গেছে।


এদিকে ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন জানান, এশার নামাজ পড়ার সময় একই সঙ্গে মসজিদের ছয়টি এসি বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন লেগে যায়। এ সময় শতাধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করছিলেন।

ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। আহতদের প্রথমে শহরের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে গুরুতর আহতদের ঢাকায় পাঠানো হয়। এর মধ্যে ৩৭ জনকে শেখ হাসিনা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারিতে নেওয়া হয়।

সংগৃহীত